মেনু নির্বাচন করুন

তিস্তা ব্যারেজ

 

   নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার সীমানা থেকে ১ কিঃমিঃ দূরে লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার দোয়ানী নামক স্থানে তিস্তা নদীর উপর তিস্তা ব্যারেজ অবস্থিত।

জেলার ডালিয়া তিস্তা ব্যারেজ দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প। এ এলাকায় পর্যটন ব্যবস্থা গড়ে তোলা না হলেও রোমাঞ্চকর অনুভূতি নিয়ে শতরূপা কন্যা কুমারি শৈবালিনী তিস্তার পাশে সারা বছরই ছুটে আসে দূর- দূরান্তের অসংখ্য ভ্রমণ পিপাসু মানুষ।
 
এই ব্যারেজে প্রকৃতির নিয়মে সৃষ্টি হয়েছে সবুজ অরণ্যের নয়ানাভিরাম দৃশ্য আর পাখিদের কলরবে ভরা মনোমুগ্ধকর কোলাহলমুক্ত অপূর্ব পরিবেশ। অবসর নামে আছে এক বালাখানা। একটি আন্তর্জাতিক মানের লজ ছাড়াও ডালিয়া ও দোয়ানীতে রয়েছে পৃথক দুটি বাংলো। তিস্তার পানি নিয়ন্ত্রণের জন্য উঁচু কন্ট্রোল টাওয়ার, সুইচ খালের পানি থেকে বালি নািশনের সিলট্রাপ, নদীর ডান তীর বাঁধের নির্মিত স্পার, সবুজের হাতছানি, শিহরণ জাগানিয়া বাতাস আর নৈসর্গিক দৃশ্য। সব কিছু মিলিয়ে সৌন্দর্যের পরিপূর্ণতায় সুসজ্জিত ডালিয়া তিস্তা ব্যারেজ।

এলাকাটি ইতোমধ্যে মানুষের মন জয় করে নিয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বছরের প্রায় প্রতিটি দিনই ছুটে আসে নানা বয়সী অসংখ্য ভ্রমণ পিপাসু নারী-পুরুষ। তবে এতকিছুর মধ্যেও টয়লেট, পানি ও ছাউনিসহ আনুষাঙ্গিক ব্যবস্থা না থাকায় ব্যারাজ এলাকায় আসা ভ্রমণ পিপাসুদের পোহাতে হয় চরম দুর্ভোগ। বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ডালিয়া ব্যারেজ এলাকায় পর্যটন ব্যবস্থা গড়ে তোলার মতো পরিবেশ রয়েছে। এখানে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলা হলে এলাকার অসংখ্য মানুষ আয়-রোজগারের পথ তৈরি হবে। পর্যটন ব্যবস্থা গড়ে তোলার সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে সরকার প্রতিবছর পেতে পারে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব এবং এর সাথে সৃষ্টি হবে তিস্তা পাড় ও চরাঞ্চলের কর্মহীন মানুষের স্থায়ী কর্মসংস্থান। ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারাও জানান, ব্যারাজ এলাকায় পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার চিন্তা-ভাবনা কর্তৃপক্ষের রয়েছে।


Share with :

Facebook Twitter